ক্ষুধার অবসান, আনন্দের জয়গান
ক্ষুধার অবসান, আনন্দের জয়গান
Date: 4 মার্চ, 2026
দীর্ঘদিনের খাদ্যসংকট, অনিশ্চয়তা আর অবরোধের মাঝেও জীবনের চাকা থেমে নেই গাজা উপত্যকায়। রমজানের শুরু থেকেই বেশ ক’দিন ধরেই এখানে মুরগির তীব্র সংকট ছিল। অবশেষে সীমান্ত ক্রসিং দিয়ে মুরগির সাপ্লাই শুরু হতেই যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে বহু পরিবার।
এই রমজানে সেহরি ও ইফতারে স্পেশাল মুরগির খাবার—শুনতে সাধারণ মনে হলেও গাজার মানুষের জন্য এটি এক অনন্য প্রাপ্তি। যখন আমরা নানা আয়োজনের ইফতার সাজাই, তখন প্রশ্ন জাগে—এই মাজলুম মানুষগুলো কী খাচ্ছেন? কংক্রিটের ধ্বংসস্তূপ আর সীমিত রসদের মাঝেও তারা আঁকড়ে আছেন নিজেদের জন্মভূমি, পবিত্র মসজিদে আক্বসার ভূমির প্রতি অটল ভালোবাসায়।
এই মানবিক প্রেক্ষাপটে আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের এর ব্যবস্থাপনায় এবং আপনাদের অর্থায়নে খান ইউনিস–এর আল মায়াউশি এলাকায় ৫০০ মাজলুম গাজাবাসীর মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। সেহরি ও ইফতারের এই আয়োজন শুধু ক্ষুধা নিবারণের জন্য নয়—এটি ছিল সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ব ও আশার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার একটি প্রয়াস।
রমজান আমাদের সংযম শেখায়, আর শেখায় ভাগাভাগি করতে। দূরবর্তী গাজার মানুষের মুখে এক বেলার হাসি ফোটাতে পারা—এটাই আমাদের সার্থকতা। আপনাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে, ইনশাআল্লাহ, এই ইফতার ও সাহরী কর্মসূচি আরও বিস্তৃত পরিসরে পৌঁছে যাবে।
আসুন, এই পবিত্র মাসে আমরা শুধু নিজের টেবিলের দিকে নয়, বরং বিশ্বের নির্যাতিত মানুষের দিকেও দৃষ্টি দিই। আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের সামান্য প্রচেষ্টাকে কবুল করেন এবং মাজলুমদের কষ্ট লাঘব করেন। আমিন।